This content was developed for Bangladeshi Nationals.

আমাদের চারপাশের প্রকৃতি প্রতিনিয়তই পরিবর্তনশীল। তার সাথে সাথে পরিবর্তিত হচ্ছে মানুষের মন ও শরীর। আর এ পরিবর্তনগুলো মানুষকে সাহায্য করে তার জীবনকে এক পর্যায় থেকে পরবর্তী ভিন্ন একটি পর্যায়ে নিয়ে যেতে। আর মাসিক হল সেই স্বাভাবিক ও প্রাকৃতিক প্রক্রিয়ার একটি।

শিশু বেড়ে ওঠে মায়ের জরায়ুতে। তাই প্রাকৃতিক নিয়মেই একটি মেয়ের বয়সের সাথে সাথে প্রতি মাসে জরায়ু সন্তানধারণের জন্য তৈরি হয়। শিশু জীবন শুরু করে ভ্রূণ হিসেবে। এ কারণেই জরায়ু নিজেই এর ভেতরে নরম, থিকথিকে রক্তে পরিপূর্ণ একটি স্তর তৈরি করে রাখে। সেখানে প্রচুর পুষ্টি থাকে ও ভ্রূণটি পুষ্টিসাধিত হয়। যখন নারী গর্ভবতী হন না, অর্থাৎ যখন ডিম্বাণু নিষিক্ত হয় না, তখন জরায়ুর অভ্যন্তরের নরম রক্তপূর্ণ দেয়ালের স্তর ভেঙে রক্ত আকারে যোনিপথ দিয়ে বেরিয়ে আসে। এটিই মাসিক বা ঋতুস্রাব।

প্রতি মাসে ৩ থেকে ৭ দিনের রক্তপাতের এ সময়টাকে “মাসিকের সময়কাল” বলে। সাধারণত মাসিকের স্থায়িত্ব সপ্তাহব্যাপী এবং এটি প্রতি মাসে হয়ে থাকে। এই প্রক্রিয়াটি একটি মেয়েকে তার কৈশোর থেকে নারীত্বের পথে নিয়ে যায়।

References:

বেড়ে উঠি আস্থার সাথে – মাসিক বা ঋতুকালীন স্বাস্থ্যবিধি ও ব্যবস্থাপনা, মূল রচনাঃ মিরা পিল্লাই, অনুবাদকঃ সৈয়দ মোঃ নূরউদ্দিন, এরিয়া কো-অর্ডিনেটর, পিএসটিসি। প্রকাশনাঃ ইউবিআর বাংলাদেশ অ্যালায়েন্স-এর পক্ষে আরএইচস্টেপ, এফপিএবি, পিএসটিসি, ডিএসকে, সিএইচসি

https://www.infokosh.gov.bd

Leave a Reply

Your email address will not be published.