This content was developed for Bangladeshi Nationals.

রবিবার ঢাকার রেড অরেঞ্জ মিডিয়া অ্যান্ড কমিউনিকেশন আয়োজিত এক আলোচনা সভায় বক্তারা মাসিকের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।

আলোচনা সভায় নারীপক্ষের পরিচালক অ্যাডভোকেট কামরুন্নাহার বলেন, “মাসিক একটি প্রাকৃতিক বিষয়। দেশজুড়ে প্রাপ্তবয়স্ক নারী ও কিশোরী মেয়েদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় প্রয়োজন মাসিক নিয়ে ভ্রান্তিগুলো বিলুপ্ত করা।”

তিনি আরও বলেন, “এ বিষয়ে অবস্থার উন্নতি করতে হলে সমাজের সকল গোষ্ঠীর সদস্যদের অংশগ্রহণ ও সমর্থন অত্যাবশ্যক।”

এই আলোচনা সভার উদ্দেশ্য ছিলো বিভিন্ন উন্নয়ন সংস্থা, গণমাধ্যম, মানবাধিকার কর্মী ও বিশেষজ্ঞদের মধ্যে মতবিনিময়ের মাধ্যমে ‘ঋতু’ প্রকল্পের কর্মকৌশল নিরূপণ করা।

রেড অরেঞ্জ মিডিয়া অ্যান্ড কমিউনিকেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক অর্ণব চক্রবর্তী বলেন, “গঠনমূলক তথ্য ও বোঝাপড়া বৃদ্ধির মাধ্যমে প্রচলিত চর্চাগুলোর পরিবর্তন সম্ভব।”

তিনি আরও বলেন, “ছেলে-মেয়ে, নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সমাজের সকলকে মাসিক ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে পর্যাপ্ত জ্ঞান রাখতে হবে। তাহলেই কেবল অবস্থার উন্নতি সম্ভব।”

এ বিষয়ে সরকার ও সুশীল সমাজের অংশগ্রহণও জরুরি বলে মন্তব্য করেন তিনি।

বিশেষজ্ঞ সায়েদা বিলকিস বাণী জানান, বিপুল সংখ্যক কিশোরী মেয়ে মাসিকের কারণে স্কুলে অনুপস্থিত থাকে, তাতে তাদের পড়ালেখার ব্যাপক ক্ষতি হয়।

‘ঋতু’ শব্দের অর্থ ‘কাল’ হলেও এতে নারীর ঋতুস্রাব বা মাসিকও বোঝায়। এই প্রকল্পে ঋতু একটি মেয়ের নাম যে কিনা বাংলাদেশের একজন সাধারণ স্কুলগামী বালিকা। ঋতু প্রকল্পের মাধ্যমে এই বালিকা চরিত্রটি হয়ে উঠবে বাংলাদেশের কিশোরী মেয়ে ও পূর্ণবয়স্ক নারীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার একটি প্রতীক।

টেলিভিশন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও ইন্টারনেটের বিভিন্ন ওয়েবসাইটে মাসিক ব্যবস্থাপনার প্রচারণা চালানোর উদ্দেশ্যে এই চরিত্রটি সৃষ্টি করা হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.